Search This Blog

Thursday, January 26, 2023

জাতি জীবনে নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে প্রবন্ধ

 জাতীয় জীবনে নারী শিক্ষার ভূমিকা।


মানুষের মনুষ্যত্ব বিকাশে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। নারী হোক বা 'পুরুষ' হোক তাদের বড় পারচয়
হলো তারা মানুষ। নারীদের মনুষ্যত্ব বিকাশের জন্য, উৎকৃষ্ট মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য শিক্ষার
প্রয়োজন অনস্বীকার্য। একটি আদর্শ জাতির জন্য আদর্শ মা প্রয়োজন, চিরন্তন এ সত্যকে অস্বীকার
করলে চলবে না । মা যদি শিক্ষিত না হয়, তাহলে সন্তান শিক্ষিত হবে না । সন্তান শিক্ষিত না হলে
স্বাভাবিকভাবেই জাতির ভবিষ্যৎ হয় অন্ধকার। নারীশিক্ষার প্রসার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে জাতীয়
অগ্রগতি নিশ্চিত হবে । সভ্যতার চরম উৎকর্ষের বহুমাত্রিক সুযােগ - সুবিধার চূড়ান্ত ব্যবহার করতে
নারীশিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম ।

নারীশিক্ষার অতীত ও বর্তমান

নারীশিক্ষার অতীত খুব সুখকর নয়। নানারকম সমস্যা অতীতে নারীশিক্ষার ক্ষেত্রে বাধা-বিঘ্নের সৃষ্টি
করেছে। ব্রিটিশ - শাসিত অবিভক্ত ভারতে উনিশ শতকের আগে নারীশিক্ষা ছিল অবহেলিত বিষয়।
তারও আগে থেকেই অবশ্য এ অবহেলার শিকড় প্রোথিত হয়। নারীরা শিক্ষার আলো থেকে বতি ছিল
মূলত নিম্নলিখিত কারণে-

ক. ধর্মীয় অনুশাসন

খ.কুসংস্কার

গ. পুরুষশাসিত সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি
ঘ. নারীদের অজ্ঞতা, ধর্মীয় ভীতি

ঙ. সাংস্কৃতিক চেতনার অভাব
চ. শিক্ষা সম্পর্কে নারীদের উদাসীনতা

ছ. পরনির্ভরশীলতা
উপযুক্ত কারণগুলো পাকিস্তান আমলেও আমাদের দেশে বিরাজমান ছিল । স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে
নারীশিক্ষার প্রসারে নানা উদ্যোগ গৃহীত হয় । বর্তমান সময়ে নারীশিক্ষা আগের মতাে দুর্দশাগ্রস্ত না
হলেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি । এখনও আমাদের দেশে নারীরা পুরুষের সঙ্গে সমান হারে
শিক্ষালাভ করতে পারছে না ।
নারীশিক্ষার প্রয়োজনীয়তা:

ন্যাবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন নারীশিক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে এক সেমিনারে বলেছেন, নারীশিক্ষা একটি দেশের সামগ্রিক উন্নায়নের প্রধান উপকরণসমূহের একটি। নেপোলিয়ান বলেছেন,

'Let France have good mothers and she will have good sons'. নারীশিক্ষার

প্রয়োজন যুগ যুগ ধরেই ছিল বর্তমান সভ্যতার আলােতে নারীশিক্ষা আরও বেশি গুরত্বপূর্ণ বলে

বিবেচিত হচ্ছে। দেশের সামাজিক, রাষ্টীয়, পারিবারিক এমনকি ব্যক্তিগত উৎকর্ষের সঙ্গে নারীশিক্ষার

গুরুত্ব জড়িয়ে পড়েছে। আমাদের দেশের লাকসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী । এ অর্ধেক জনগোষ্ঠী যদি

শিক্ষা গ্রহণ না করে, মনুষ্যত্বের গুণাবলি অর্জন না করে তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ যে অন্ধকার তা

অনস্বীকার্য । পরিবার থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সবক্ষেত্রেই শিক্ষিত নারীর প্রয়োজন । শিক্ষিত নারী

তার সতীর্থ পুরুষকে নিজের শিক্ষাদীক্ষার মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে

বিরাট ভূমিকা রাখতে পারে । দেশের জন্য একটা উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ভিত্তি তৈরি ভাবে

অংশগ্রহণ করতে পারে । নারীশিক্ষার অভাবে সমাজ যেসব দিক থেকে পিছিয়ে হলো:

১।আদর্শ পরিবার প্রত্যাশিতভাবে গড়ে উঠতে পারছে না .
২।শিক্ষিত জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সমাজ বহুলাংশে পিছিয়ে থাকছে ;
৩।অর্থনৈতিক অনগ্রসরতা কাটছে না ;
৪।দাম্পত্য বোঝাপড়া স্বাচ্ছ হয় না;
৫।অশিক্ষিত নারী কর্মহীন বিবেচনায় দেশের বোঝা হয়ে আছে;
৬।নারীদের প্রকৃতিপ্রদত্ত গুণাগুণ বিকশিত হচ্ছে না;
৭।সামাজিক অনাচার ও পারিবারিক কলহ বাড়ছে;
৮।নারী তার নিজের অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হতে পারছে না ।

উপযুক্ত পরিস্থিতি আমাদের দেশে নারীশিক্ষার প্রয়োজনীয়তাকে তীব্র করে তুলেছে। অনগ্রসরতার কারণে দেশের সমাজব্যবস্থায় বিরূপ প্রভাব মারাত্মকভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে । নারীশিক্ষার

নারীশিক্ষা সম্পর্কে গৃহীত পদক্ষেপ

নারীশিক্ষা বিস্তারে স্বাধীনতা পরবর্তী সরকারগুনা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে । অবশ্য পদক্ষেপনা বাস্তবায়ন হয়েছে খুবই যৎসামান্য । বর্তমানে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত নারীদের অবৈতনিক শিক্ষার সুযাগ করে দিয়েছে সরকার। তাছাড়া বিভিন্ন কোরকারি সংস্থা বা এনজিও নিজেদের উদ্যোগে নারীশিক্ষা বিস্তারে বহুমখী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে যা খুবই আশাব্যঞ্জক। বিভিন্ন সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও কাজ করছে। নারীর ক্ষমতায় ব্যবহারিক পর্যায়ে দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে নারীশিক্ষার চলমান কর্মতৎপরতা থেকেই। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নারীদের আলাদা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও । গৃহীত এসব ব্যবস্থা নারীদের সংখ্যার তুলনায় অপ্রতুল। তবু একটি প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে নারীশিক্ষার যে অগ্রগতি হচ্ছে তার গন্তব্য নিশ্চয়ই অনেক দূর ।

নারীশিক্ষা বিস্তারে করণীয় বিষয়:

নারীশিক্ষা বিস্তারে সরকার কর্তৃক আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত । বেসরকারি পর্যায়েও আরও বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা উচিত সবার সমন্বিত উদ্যোগই কেবল নারীশিক্ষায় সফলতা এনে দিতেপারে । নারীশিক্ষা বিস্তারের জন্য নিম্নোক্ত বিষয়গুননের প্রতি সরকার ও অন্যান্য মহলের লক্ষ রাখাদরকার ।
১।নারীশিক্ষাকে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করতে হবে:

২।নারীশিক্ষার বিস্তারে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে ;

৩।গ্রাম ও শহর বিবেচনায় উপযুক্ত কর্মসূচি প্রণয়ন করতে হবে;

৪। অবকাঠামাগত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে হবে :

৫। একটি মনিটরিং সেল স্থাপন করে নারীশিক্ষার অগ্রগতি মূল্যায়ন করার প্রক্রিয়া চালু করতে হবে : দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করতে হবে ;

৬।সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় প্রচার প্রচারণার ব্যবস্থা রাখতে হবে; es

৭।কর্মমুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে;

৮।বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়াতে হবে
৯।পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে : । নারীশিক্ষাকে উৎসাহ প্রদানের জন্য যথাযথ কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দিতে হবে

উপসংহার :
নারীশিক্ষা আমাদের মতা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । দেশের মােট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী তাই নারীসমাজকে অশিক্ষিত রেখে জাতীয় উন্নয়নের কথা কল্পনাই করা যায় না এক্ষেত্রে নারীশিক্ষাকে অগ্রগণ্য কর্মসূচি দ্বারা বাস্তবায়নের দিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হলে বড় ধরনের সুফল পাওয়া যাবে । দেশের উন্নয়নে নারীর ভূমিকা যথাযথভাবে সংযুক্ত করা গেলে দেশকে সমৃদ্ধির শীর্ষে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ।

All About Alferd Bernhard Nobel inventro Nobel Prize

 Alfred Bernhard Nobel, a Swedish inventor and philanthropist, bequeathed most of his vast fortune to a trust that he designated as a fund from which annual prizes could be awarded to the individuals and organisations that had achieved through invention and discovery that which would have the greatest benefit to humanity in a particular year. According to the legend, Nobel's death had been erroneously reported in a newspaper, and the focus of the obituary was the fact that Nobel invented dynamite. He rewrote his will in 1895, thereby establishing, with the original amount of nine million dollars, the Nobel Foundation as the legal owner and administering agent of the funds, and instituting the prizes that are named after him. Statutes to govern the awarding of the prizes were written, along with guidelines for operating procedures. Five years after Nobel's death, the first five prizes, worth about forty thousand dollars each, were to be awarded.


Originally the five classifications for outstanding contributions designated in Nobel's will included chemistry, physics, physiology or medicine, literature, and international peace. These prizes have been administered continually by the Nobel Foundation in Stockholm since they were first awarded in 1901. In 1969, a sixth prize, for accomplishments in the field of economics and endowed by the Central Bank of Sweden, was added, Candidates for the prizes must be nominated in writing by February 1 of each year by a qualified and recognized authority in each of the fields of competition. Recipients in physics, chemistry, and economics are selected by the Royal Swedish Academy, whereas recipients in peace are chosen by the Norwegian Nobel Committee appointed by Norway's parliament. With the King of Sweden officiating, the prizes are usually presented in Stockholm on December 10, the anniversary of Nobel's death. The value, fame, and prestige of the Nobel Prizes have continued to grow. Today the prize includes a medal, a diploma, and a cash award of about one million dollars. 

আন্তর্জাতিক পরিবেশের সংজ্ঞা দাও

 ●

Save Environment 

আন্তর্জাতিক পরিবেশের সংজ্ঞা দাও । অথবা, আন্তর্জাতিক পরিবেশ কি? 


উত্তর : ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে কোনো একটি দেশের বিভিন্ন ব্যবসায় 


উপাদান যখন অন্যান্য দেশের ব্যবসায়িক পারিপার্শ্বিকতা বা উপাদান দ্বারা প্রভাবিত হয় তখন তাকে আন্তর্জাতিক পরিবেশ বলে। Ricky W. Griffin-এর মতে, “একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ের

প্রসার অন্য দেশের ব্যবসায়ের সাথে সম্পৃক্ত থাকলে বা অন্য দেশের

ব্যবসায় দ্বারা প্রভাবিত হলে তাকে আন্তর্জাতিক পরিবেশ বলে।"

এক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিদ্যমান আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, | রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি, মুদ্রাস্ফীতি, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক জোট, কোনো দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন যুদ্ধবিগ্রহ ইত্যাদি বিষয় আন্তর্জাতিক পরিবেশের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে থাকে ।

যেমন- মধ্যপ্রাচ্যে কোনো যুদ্ধ দেখা দিলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়। আবার SAFTA, NAFTA ইত্যাদি চুক্তির ফলে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নত হয় ।পরিশেষে বলা যায় যে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা বা উপাদান কোনো একটি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উপর প্রভাব বিস্তার করে বলে এগুলোর সমষ্টিকে আন্তর্জাতিক পরিবেশ বলে ।

Thursday, October 6, 2022

How does begain Renaissance

 The period commonly known as the Renaissance (1400-1600) began in Florence Italy. If I represented a renewed interest in Greek and Roman art and literature. The greatest achievements in Arts during this period were the perfection of depth perspective, use of colours and effects of light and Shadow. Artist across Europe improve on the ancient artist technique as no other beard had done. They are studying Greek and Roman to read the ancient literacy classics. They are many advanced in Science and Technology discovery in the new world's and change in religion. The growth of universities throughout Europe help create a more educated middle class that was to take over running the government within the following centuries. You look head come out drak ages. This idea of rebirth in learning characterized The Other Epoch in history in different part of the world.


In A.D. 800, Charlemont becamking of the France and initiated Carolingian Renaissance, who is lasted until the end of 9 century. This period so beautiful and more modern receipt pertant on Roman architecture Charlie men's stimulated learning and the development of the Arts sponsored a palace Academy, establish a curriculum in school for nobility created libraries and change writing to improve the style of script.

Sunday, September 25, 2022

Glorious Victory Day Of Bangladesh, গৌরবের বিজয় দিবস

ডিসেম্বর বাঙালির গৌরব অহংকার আর বিজয়ের মাস বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে বাংলার দামাল সন্তানদের রক্তক্ষয় যুদ্ধের পর 1971 সালে ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তান হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণের মধ্যে দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেই বাংলাদেশ। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয় যুদ্ধকে ছাপিয়ে একদিন সূচিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ।

স্বাধীনতার সোপানঃ
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় এবং একই বছর 16ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের মধ্য দিয়ে এর পরিসমাপ্তি ঘটে। এই সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রাম ছিল বিভিন্ন ঘটনা বিরূপ পরিস্থিতি ও গুরুতর বৈষম্যের কারণে পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের ক্রমাগতার অবনতির চূড়ান্তর বহিঃপ্রকাশ। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ  নিকট থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই পাকিস্থানের দুই প্রদেশের মধ্যে যেসব ইস্যুতে সম্পর্ক অবনতি ঘটে সেগুলোর মধ্যে ছিল সংস্কার রাষ্ট্রভাষা অর্থনীতি ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে দুই প্রদেশের মধ্যে বৈষম্য ও প্রাদেশিক সাহিত্য শাসন পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা এবং এত সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়। ১৯৭০ এর সাধারণ নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের পূর্ব পাকিস্তান ১৬৯ টি আসনের 177 টি আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে এবং আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের একক প্রতিনিধি হিসেবে আবির্ভূত হয়। তিনি হন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা কিন্তু পাকিস্তানি সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্ব শেখ মুজিবরের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের অস্বীকার করেন। ১৯৭১ এর সাথে মার্চ শেখ মুজিবুর যে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন তাতেই পাকিস্তানের সামরিক জান তার প্রতি তারা মনে হবে স্পষ্ট হয়ে ওঠে এরপর শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন ইতিমধ্যে সমস্যা নিরসনের জন্য শেখ মুজিবুর ও ইয়াহিয়া খানের মধ্যে আলোচনা শুরু হয় কিন্তু শেষ পর্যন্ত আলোচনা ব্যর্থ হয়ে যায় এবং ১৯৭১ এর ২৫ শে মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানের সেনারা বাঙালি হত্যা শুরু করে। ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরের অর্থাৎ ২৫ শে মার্চ দিবাগত রাতে একটাই পাকিস্তানের বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট এর মাধ্যমে শুরু করে গণহত্যা ২৬ শে মার্চ পাকিস্তানি সেনারা শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে প্রায় কাছাকাছি সময় চট্টগ্রামের কালুরঘাটে বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের একটি নেতা স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র পাঠ করেন এপ্রিল মাসের ৪ তারিখে মুক্তি বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তেলিয়াপাড়া অবস্থিত দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল অধিদপ্তর একত্রিত হয় এসো ভাই চারজন সিনিয়র কমান্ডারকে অপারেশনের দায়িত্ব দেওয়া হয় কর্নেল এমএ জি ওসমানী কে মুক্তিবাহিনী সর্বময় নেতৃত্ব দেওয়া হয়।
প্রবাসী সরকার-মুক্তিযুদ্ধ- বিজয়ঃ
১০ এপ্রিল 1971 তাজউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে প্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশের একটি প্রবাসী সরকার মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় 10 থেকে 17 জুলাই আনুষ্ঠানিক সেক্টর কমান্ডারদের এক সম্মেলনে অপারেশন চালানোর সুবিধারদের সমগ্র বাংলাদেশকে 11 টি সেক্টর ও বিভিন্ন সাবজেক্টের বিভক্ত করা হয়। পাকিস্তানের সেনাদের কবল থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার উদ্দম বাসনায় ছাত্র কৃষক শ্রমিক রাজনৈতিক কর্মীরা মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করেন যুদ্ধের কৌশল অস্ত্র চালনা ও বিস্ফোরক সম্পর্কে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন কলিকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডের বাংলাদেশ বাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপিত হয় ১২ই এপ্রিল থেকে এই সদর দপ্তরের কার্যক্রম শুরু করে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ রব এবং গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার কে যথাক্রমে চিপ অফ স্টাফ এবং ডেপুটি চিপ অফ স্টাফ নিয়োগ করা হয়। ২৮ শে সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ বিমান বাহিনী গঠিত হয়। এ সংগঠক ছিল এয়ার কমান্ডার একে খন্দকার অনুরূপভাবে পাকিস্তানি বাহিনী থেকে বেরিয়ে আসার সৈনিকদের নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠিত হয় ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে মুক্তিবাহিনী ও ভারতের বাহিনীর যৌথ কমান্ডার গঠিত হয় ভারতের সৈন্য এবং ১১ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধারা ১৪ই ডিসেম্বর ঢাকার টঙ্গীর কাছে পৌঁছায় ১৬ ডিসেম্বর সকালে তারা সবাই সাভারে অবস্থান নেই। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকাল পাঁচটায় এক মিনিটের রমনা রেসকোর্স ময়দানে যৌথ কমান্ডারের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগদীশ সিং অরোরা এবং পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলের কমান্ডারের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিল স্বাক্ষর করেন। এভাবেই সুজিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা।